টেনেসিতে প্রাণঘাতী ইনজেকশনে মৃত্যুদণ্ডে কার্যকরে ব্যর্থ হওয়ার পর দণ্ডিত আসামি ক্রিস্টা গেইল পাইকের পুনরায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন এক-তৃতীয়াংশ আমেরিকান নাগরিক।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইপসসের এক যৌথ জরিপে উঠে এসেছে এ তথ্য।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর টেনেসির কারাগারে হত্যা মামলার আসামি ক্রিস্টা পাইককে পরপর দুই ডোজ লেথাল ইনজেকশন দিয়েও মৃত্যুদণ্ডে কার্যকরে ব্যর্থ হয় কর্তৃপক্ষ। পরে স্টেইটের গভর্নর বিল লি জানান, চলতি বছর নির্ধারিত আর কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে না। একইসঙ্গে ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড পরবর্তীতে সম্পন্ন হবে কি না-বিষয়টিও পর্যালোচনাধীন।
ওই ঘটনায় পুনরায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রসঙ্গে মতামত জানতে চেয়ে ১৬ থেকে ১৯ অক্টোবর ১ হাজার ৬৭৯জন প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান নাগরিকের ওপর একটি জরিপ চালায় রয়টার্স-ইপসস।
সোমবার(১৯ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফলে জানা যায়, জরিপে অংশ নেওয়া ৩৩ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন একবার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে ব্যর্থ হলে পুনরায় তা চেষ্টা করা উচিত।
অন্যদিকে সংখ্যাগরিষ্ট ৩৯ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন পুনরায় মৃত্যুদণ্ড না দিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া উচিত। তবে এ ধরনের ঘটনায় মৃত্যুদণ্ড না যাবজ্জীবন- কোনটি বেশি উপযুক্ত, তা নিশ্চিত নয় ২৬ শতাংশ আমেরিকান।
১৯৯৫ সালে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমারকে হত্যার ঘটনায় পাইক ও তার তৎকালীন প্রেমিক দোষী সাব্যস্ত হন। হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার সময় পাইকের বয়স ছিল ১৮ বছর। গত ৩০ সেপ্টেম্বর, বুধবার তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে গত ২০০ বছরেরও বেশি সময়ে টেনেসিতে প্রথম কোনো নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতো।