মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো হরমুয প্রণালী ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতি কোনো বিদেশি নেতার সাথে ফোনালাপ করলেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার তিনি কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানিকে ফোন করেন।
টেলিফোনে আলাপকালে কাতারের আমির আঞ্চলিক উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি পাওয়া থেকে বিরত থাকতে এবং সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন।
কাতারের রাষ্ট্রপ্রধান শেখ তামিম জানান, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সব পক্ষের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন আলোচনা প্রয়োজন। অঞ্চলটিকে নতুন করে কোনো সামরিক সংঘাতের মধ্যে না ঠেলে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।
কাতার দীর্ঘদিন ধরেই অ্যামেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে আসছে। দেশটির তরফ থেকে আবারো স্পষ্ট করা হলো যে, সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে কূটনৈতিক পথেই উত্তেজনার কার্যকর অবসান সম্ভব।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন রুট হরমুয প্রণালীতে বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখার বিষয়েও তাদের মধ্যে কথা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে আলোচিত এই ফোনালাপের পর ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পারমাণবিক ইস্যুুতে পূর্বে স্থগিত রাখা আলোচনায় ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে ইরান।
ট্রাম্প প্রশাসন বারবার পারমাণবিক ইস্যুতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আলোচনার দাবি করে আসলেও, বরাবরই তা প্রত্যাখ্যান করে তেহরান। কাতারের সাম্প্রতিক প্রচেষ্টার সবশেষ অগ্রগতিমূলক প্রস্তাবে ইরান বিষয়টি বিবেচনার কথা জানায়।
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইরানের পক্ষ থেকে এ বিষেয় আলোচনায় রাজি থাকার কথা জানানো হয়েছে।