লং আইল্যান্ডে নারী ধর্ষণ: গ্রেপ্তারের ২২ বছর আগে মৃত সন্দেহভাজন

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১২ ২০২৬, ১৩:৩৫ হালনাগাদ: মার্চ ১২ ২০২৬, ২০:২০

নারী ধর্ষণের প্রতীকী চিত্র। গ্রাফিক্স: টিবিএন

নারী ধর্ষণের প্রতীকী চিত্র। গ্রাফিক্স: টিবিএন

  • 0

লং আইল্যান্ডের ওশানসাইড এলাকায় নিজ বাড়িতে দুই হাত পেছনে বাঁধা ও গলায় নিজের স্টকিংস পেঁচানো অবস্থায় পড়ে ছিলেন বারবারা। মাথায় গুলি করে হত্যার আগে তার ওপর চালানো হয়েছিল পাশবিক যৌন নির্যাতন।

‘আমার মৃত মায়ের দৃশ্যটা মাথায় রয়ে গেছে, তখন আমার বয়স ছিল ৫বছর। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এ দৃশ্য আমি ভুলতে পারব না,‘ কথাগুলো বলছিলেন শৈশবে মা কে হারানো এরিক ওয়াল্ডম্যান।

সময়টা ৫২ বছর আগে। ১৯৭৪ সালের এক দিনে এরিক শোবার ঘরে মা বারবারা ওয়াল্ডম্যানের নিথর দেহ উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখতে পান।

লং আইল্যান্ডের ওশানসাইড এলাকায় নিজ বাড়িতে দুই হাত পেছনে বাঁধা ও গলায় নিজের স্টকিংস পেঁচানো অবস্থায় পড়ে ছিলেন বারবারা। মাথায় গুলি করে হত্যার আগে তার ওপর চালানো হয়েছিল পাশবিক যৌন নির্যাতন।

ওই সময় তিন সন্তানের জননী বারবারা হত্যার ঘটনাটি আতঙ্ক তৈরি করেছিল লং আইল্যান্ডসহ পুরো নিউ ইয়র্ক জুড়ে।

তবে হত্যাকারী কে তার কোনো হদিস পাননি তদন্ত কর্মকর্তারা। হত্যাকাণ্ডটি কর্মকর্তাদের কাছে তালিকাভুক্ত ছিল ‘কোল্ড কেস’ নামে।

এক বিবৃতিতে বুধবার বারবারাকে হত্যাকারীর পরিচয় প্রকাশ করেছে নাসাউ কাউন্টি পুলিশ।

নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন হলেন থমাস জেনেরাজিও। গত বছর এক ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তার অপরাধের সত্যতা বেরিয়ে আসে।

হত্যাকাণ্ডটি ঘটানোর সময় জেনেরাজিওর বয়স ছিল ৩১ বছর। ২০০৪ সালে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে ৫৭ বছর বয়সে মারা যান সন্দেহভাজন ওই খুনি।

তবে হত্যাকারী শনাক্ত হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী বারবারার পরিবার।