ব্রাউনসভিলে প্রতিবেশী বিরোধ থেকে শুরু হওয়া সহিংস ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন এবং একজন এনওয়াইপিডি কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সোমবার ভোরে থমাস বয়ল্যান্ড স্ট্রিটে ঘটে এই রক্তক্ষয়ী ঘটনা।
এনওয়াইপিডির বরাত দিয়ে এবিসি নিউজ জানায়, সন্ধ্যা ৬টার কিছু আগে ১০৪৬ থমাস বয়ল্যান্ড স্ট্রিটের একটি অ্যাপার্টমেন্টে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি তার প্রতিবেশীকে গুলি করে হত্যা করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ওই বন্দুকধারী অ্যাপার্টমেন্টের ভেতর থেকে গুলি চালায় এবং এতে ২৫ বছর বয়সী এক এনওয়াইপিডি কর্মকর্তা মুখে গুলিবিদ্ধ হন।
ঘটনাস্থলের বিপরীত পাশে থাকা একটি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, এক ব্যক্তি গাড়ি থেকে নেমে ভবনের প্রবেশদ্বারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। ঠিক সেই সময় ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকা আরেকজন শটগান নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৪১ বছর বয়সী নিহত লিরয় ওয়ালেসের মরদেহ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে। তারা দ্রুত এলাকা সুরক্ষিত করে এবং ভবনের ভেস্টিবিউল থেকে একটি শেল কেসিং সংগ্রহ করে। তখনও বুঝতে পারেনি যে বন্দুকধারী ভবনের ভেতরই লুকিয়ে আছে।
এরপর সকাল প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিটে, প্রথম তলার একটি অ্যাপার্টমেন্টের দরজা খুলেই সন্দেহভাজন ব্যক্তি শটগান থেকে গুলি ছোড়ে। এতে অফিসার শারজিল ওয়ারিস মুখে বার্ডশট প্যালেটের আঘাতে গুরুতরভাবে আহত হন।
গুলিবিদ্ধ অফিসার শারজিল ওয়ারিসকে দ্রুত একটি পুলিশ ক্রুজারে করে ব্রুকডেল ইউনিভার্সিটি হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুরের দিকে ওয়ারিস হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান।
এনওয়াইপিডির ড্রোন ফুটেজে দেখা যায়, সন্দেহভাজন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন এবং তার পাশে শটগান পড়ে আছে। কর্মকর্তাদের মতে, নিহত দুইজনই একই ভবনের প্রতিবেশী।
বন্দুকধারী একজন তরুণ সামরিক ভেটেরান ছিলেন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। তবে এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজনের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। এছাড়া ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো অপরাধের রেকর্ড ছিল না।
বন্দুকধারী কেন তার বাসায় ফিরতে থাকা প্রতিবেশীর দিকে গুলি ছুড়লেন তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য।