প্রকাশিত: অক্টোবর ১১ ২০২৬, ১৪:০৭ হালনাগাদ: অক্টোবর ১১ ২০২৬, ১৪:৫২
নিহত মো. শাহেদ আহম্মেদের বাড়ি বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে। তার বাবা মো. রফিকুল ইসলাম এবং মা মোছা. শাহেরা বেগম। অপর নিহত নাসরুল্লাহ বদরপুরির বাড়ি কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার বদরপুর গ্রামে। তিনি ঢাকার কামরাঙ্গীরচর এলাকার জামিয়া আরাবিয়া রাবিউল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তারা হলেন— বগুড়ার শাহেদ আহম্মেদ ও কুমিল্লার নাসরুল্লাহ বদরপুরি।
নিহত মো. শাহেদ আহম্মেদের বাড়ি বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে। তার বাবা মো. রফিকুল ইসলাম এবং মা মোছা. শাহেরা বেগম। নিহত শাহেদ আহম্মেদ সৌদি আরবে কর্মরত প্রবাসী ছিলেন।
অপর নিহত নাসরুল্লাহ বদরপুরির বাড়ি কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার বদরপুর গ্রামে। তিনি ঢাকার কামরাঙ্গীরচর এলাকার জামিয়া আরাবিয়া রাবিউল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাবা মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ এবং মা জাহানারা বেগম। ওমরাহযাত্রীদের দলের সঙ্গে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন তিনি।
এদিকে রিয়াদ বিমানবন্দরে এই হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন বাংলাদেশি তরুণ আলেম মাওলানা সাঈদ আহমেদ। বর্বরোচিত এই হামলায় তিনি একটি পা হারিয়েছেন। বর্তমানে তিনি রিয়াদের একটি হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গুরুতর আহত বাংলাদেশি তরুণ আলেম মাওলানা সাঈদ আহমেদ
আল মক্কা ট্রাভেল এজেন্সীর কর্ণধর জানায়, আহত মাওলানা সাঈদ আহমেদ ৪৫ জনের একটি ওমরাহ কাফেলার সঙ্গে পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব গমন করেন তিনি। তবে আহতদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় ও চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
রোববার (১১ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানায়, গতকাল বিকাল আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিটে রিয়াদের কিং খালেদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের টার্মিনাল-৩ এর উপর একটি ক্ষেপণাস্ত্র এসে পড়ে। এ সময় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের যাত্রী সেখানে অপেক্ষমান ছিল। দুর্ঘটনায় দুজন বাংলাদেশি নাগরিক মৃত্যুবরণ করেছেন। এছাড়াও ৪ জন বাংলাদেশী আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মোট ১২ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।