হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সক্ষমতা বাতিল করে ট্রাম্প প্রশাসনের চেষ্টা শুক্রবার ঠেকিয়ে দিয়েছেন বোস্টনের এক ফেডারেল বিচারক।
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক ফেডারেল সরকারের আদেশ স্থগিত করেন।
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, হার্ভার্ডের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির সক্ষমতা বাতিলের ২৪ ঘণ্টার কম সময়ে প্রশাসনের নামে মামলা করে প্রতিষ্ঠানটি।
বিচারক অ্যালিসন ডি. বুরোস ট্রাম্প প্রশাসনের আদেশের বিরুদ্ধে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেন।
হার্ভার্ডের আবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের আদেশে তাদের ‘তাৎক্ষণিক ও অপূরণীয় ক্ষতি’ হবে। বিচারক প্রতিষ্ঠানটির এ উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দেন।
প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন বৃহস্পতিবার হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষমতা বাতিল করে।
ট্রাম্পের এজেন্ডার সঙ্গে সঙ্গতি রাখার জন্য হার্ভার্ডকে চাপে রাখতে প্রশাসনের অব্যাহত চেষ্টার মধ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
প্রশাসন সিদ্ধান্তের বিষয়টি হার্ভার্ডকে অবহিত করেছে বলে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানান তিনজন ব্যক্তি।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিকে পাঠানো এক চিঠিতে লিখেন, ‘আপনার অবগতির জন্য আমি লিখছি যে, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ ভিজিটর প্রোগ্রাম সনদ বাতিল করা হলো।’
শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন সংগঠনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য না দিলে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে বিদেশি শিক্ষার্থী বন্ধের হুমকি দিয়ে রেখেছিল ট্রাম্প প্রশাসন।
গত ১৬ এপ্রিল হার্ভার্ডকে পাঠানো এক চিঠিতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে ‘জ্ঞাত অবৈধ’ অথবা ‘মারাত্মক’ কর্মকাণ্ডে জড়িত শিক্ষার্থী ভিসাধারী প্রত্যেকের বিষয়ে ‘সংশ্লিষ্ট তথ্য’ চান।
শিক্ষার্থী ভিসাধারীদের কোর্সওয়ার্কের বিষয়েও তথ্য চান সেক্রেটারি।
ওই চিঠিতে নোয়েম লিখেন, ‘হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে বিদেশি শিক্ষার্থী আসা বিশেষ সুবিধা; নিশ্চয়তা নয়।’